কেউ যদি ইমাম বুখারী-কে দেখতে চায়-সে যেন এই ছেলেটির দিকে তাকায়"!

কেউ যদি ইমাম বুখারী-কে দেখতে চায়-সে যেন এই ছেলেটির দিকে তাকায়"!

"কেউ যদি ইমাম বুখারী-কে দেখতে চায়-সে যেন এই ছেলেটির দিকে তাকায়"! ইমাম বুখারী বাল্য অবস্হায়-ই ছিলেন 70 হাজার হাদীসের হাফেজ ; নিচের এই ছেলেটিও বুখারী মুসলিম আবু দাউদ নাসাই তিরমিজি ইবনে মাজাহ সহ 18 টি কিতাবের অর্ধলক্ষাধীক হাদীসের হাফেজ।

হাদীসের মতন, রাবীর নাম, হাদীসটিকে কে সহীহ বললো, কে যইফ বললো, হাদীসটি কোন কিতাবের কত খন্ডে আছে , এমনকি হাদীসের নাম্বারগুলোও মুখস্থ আছে তাঁর। কোন হাদীসের পর কোন হাদীস আছে সেটা ধারাবাহিকভাবে কিতাবের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মুখস্থ বলার ক্ষমতা আছে তাঁর।

নববী কাল থেকে এ যাবৎকাল পর্যন্ত পুরো কোরআনের হাফেজ হয়েছে অসংখ্যজন কিন্ত নবীর সমস্ত হাদীসের হাফেজ ছিলেন মাত্র দু'জন ইমাম (ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল ও ইয়াহইয়া বিন মাঈন রহঃ এবং এই দু'জনই ছিলেন ইমাম বুখারীর উস্তাদ।) অতএব বুঝাই যাচ্ছে যে, কোরআন মুখস্থ করার চাইতে হাদীস মুখস্থ করা অত্যাধিক কঠিন।

তাইতো বাংলাদেশে হাজার হাজার কোরআনের হাফেজ থাকলেও হাদীসের হাফেজ কিন্ত একজনও নেই। কিন্ত আরবের মাটিতে এমন হাদীসের হাফেজ শত শত আছে। আলহামদুলিল্লাহ। এদেরকে দেখলেই বুঝা যায় আমাদের পূর্ববর্তী ইমামগণ কেমন স্মৃতিশক্তির অধিকারী ছিলেন! সুবহানাল্লাহ!!

[ছেলেটির নাম জিহাদ বিন মুতইব আল মালেকী, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে 2002 সালে জন্ম। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, ছেলেটি অন্ধ, চোখে আলো নেই কিন্ত তাঁর অন্তরটা কোরআন হাদীসের আলোতে পরিপূর্ণ।]

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password